F.A.Q

faq

প্রথম পার্থর্ক্য হলো Antivirus শুধুমাত্র antivirus, আর Internet Security Antivirus + Internet security. Antivirus শুধুমাত্র Virus থেকে সুরক্ষা দেবে আর internet security Virus–এর পাশাপশি malware (Adware, Spyware, Browser hijacking software, Worm, Trojan horse ইত্যাদি) থেকে সুরক্ষা দেওয়া ছাড়াও, Identity protection- মানে আপনি online-এ বিভিন্ন কাজ করার জন্য যে Password-টি টাইপ করছেন তার সুরক্ষা দেবে, Extra security for online banking & shopping- বিশেষত অনলাইন banking এবং shopping এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সুরক্ষা দেবে।, Protection for kids- শিশুরা যাতে সব সাইটে অবাধে যেতে না পারে, যখন খুশি ইন্টারনেট চালাতে না পারে এইসব নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, Local Network করা থাকলে অন্য PC থেকে Virus Attack হলে তা প্রতিরোধ করতে পারবে। আপনার Webcam আপনার অজান্তে অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না, এতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে। এমন আরো অসংখ্য নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে কাজ করে Kaspersky Internet Security.

Windows-কে প্রতিনিয়ত update করা হচ্ছে বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যুতে। সুতরাং Windows-এর নুন্যতম নিরাপত্তা আপডেটগুলো যদি করা না থাকে তাহলে Kaspersky Install হবে না। কমপক্ষে Service Pack-3 সহ WindowsXP এবং Internet explorer- 8 থাকতে হবে, Service Pack-1 সহ Windows7 থাকতেই হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে Windows8, 8.1 এবং Windows 10-ও Update থাকতে হবে।

Kaspersky Install করার সময় এই error massage-টি অনেক সময়ই আসে। অর্থাৎ .net framework software- টি install হচ্ছে না। এর কারন আপনার Windows-7-এ Service pack-1 নেই। Kaspersky install করার জন্য অবশ্যই Windwos-7 Service Pack-1 থাকতে হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে Service Pack-1 ছাড়া Windows–এ Kaspersky install হবে কিন্তু এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা হবে। সুতরাং ২০১১ সালে release হওয়া service pack-1 সহ Windows-7 service pack-1 অবশ্যই install করে নেবেন। এখন এমন হতে পারে আপনার পক্ষে নতুন করে Windows দেয়া সম্ভব নয়। কোন সমস্যা নেই। Microsoft থেকে এর official website (https://support.microsoft.com/en-us/help/15090/windows-7-install-service-pack-1-sp1) থেকে service pack-1 download করে install করে নেয়া যাবে।

অনেকেই মনে করেন আমি ৩৬৫ দিনের জন্য কিনলাম। এখন আবার প্রতিদিন update করতে যাবো কেন? আসলে আগামী মুহুর্তে কোন virus ছড়াবে তা কিন্তু আগে থেকে বুঝা যায় না। virus release হবার পরই antivirus তা প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা নেয়। এজন্যই প্রতিনিয়ত Kaspersky Update রাখা খুবই জরুরী।

আপনারা জানেন বাংলাদেশে Kaspersky যে package পাওয়া যায় তা শুধুমাত্র বাংলাদেশ এবং ভূটানের জন্য। অন্য কোথাও তা activation সম্ভব নয়। সুতরাং বাইরে থেকে নিয়ে আসা বা বাংলাদেশ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া কোন package active হবে না। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন হয় বাংলাদেশ থেকে কেনা প্যাকেজ বাংলাদেশে install করতে গেলে Regional problem show করে, এক্ষেত্রে প্রথমেই কম্পিউটারের Timezone, date-time ঠিক করে নিতে হবে। আমাদের অভিজ্ঞতা হলো সাধারনত যারা broadband connection ব্যবহার করেন তাদের কেউ কেউ এই সমস্যায় পড়েন। ৭ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান নিজে নিজেই হয়ে যায়। এক্ষেত্রে Trial version activate করে কিছুদিন অপেক্ষা করা যেতে পারে অথবা যে কোন Modem সেটা গ্রামীন, বাংলালিঙ্ক, রবি বা টেলিটক যাই হোক না কেন তা ব্যবহার করে Activation-টা করে নিতে পারেন। Update যেন কোন net connection দিয়েই করা যায়।

Kaspersky User-দের Registration যে Option রেখেছে তাতে একাধিক সুবিধা পাওয়া যায়। ১। আপনি আপনার activation Code সেখানে সংরক্ষণ করতে পারেন। তাহলে ভবিষ্যতে Activation code হারিয়ে গেলেও আপনার কাছে একটা কপি থেকেই যাবে। ২। আর আপনি চাইলে Kaspersky update news-ও পেতে পারেন এর মাধ্যমে। ৩। এছাড়া Kaspersky সমস্যা সংক্রান্ত যে কোন Mail করতে চাইলে My Kaspersky account-র মাধ্যমেই তা করতে হবে। My Kasperskyএর মাধ্যমে device add করে পৃথিবীর যে কোন স্থান থেকে Computer-এ scan, update run করে কাজ করা যাবে।

My Kaspersky account তৈরী করার ক্ষেত্রে কারো কারো সমস্যা হয়। প্রথমে Register Now-এ Click করে, Signup-এ Click করে কোন একটি চালু E-mail Address দিতে হবে এবং Password-টি Mail password হবে না, তা নতুন করে তৈরী করতে হবে। নতুন একটি Password যার ধরন হবে (1Abc*123) মানে কমপক্ষে ৮ অক্ষর তার মধ্যে নাম্বার, ছোটহাতের অক্ষর বড় হাতের অক্ষর মিলেয়ে হতে হবে।

Kaspersky Install করলে PC slow হয় এটা common অভিযোগ। কিন্তু অনেকেই Kaspersky install করার পর update এবং Full Scan Complete করেন না। এক্ষেত্রে update এবং scan background-এ চলতে থাকে বিধায় PC slow হয়ে পড়ে। সুতরাং Kaspersky install করার পর প্রথম কাজই হবে update তারপর Full Scan সম্পন্ন করে নেয়া।

আরো একটি কারনে PC Slow হয়, তা হলো অনেকেই PC–র Registry কখনো Clean করেন না। এছাড়া Temp File সহ Browsing History Clean করেও PC-র গতি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য Kaspersky-র একটি Cleaner Software আছে (http://devbuilds.kaspersky-labs.com/Fast/KCLEANER/CleanerSetup.exe) তা ব্যবহার করতে পারেন।

Kaspersky চলার জন্য RAM প্রয়োজন হয়, এছাড়া Windows সহ অন্যান্য Software চলতেও RAM লাগে। তাই RAM কম হলে PC slow হতে পারে।

Kaspersky install করার পর network-এ থাকা printer বা local network কাজ না করার সমস্যা হতে পারে। এক্ষেত্রে অনেকেই Firewall বন্ধ করে দিয়ে থাকেন, তা না করে firewall-এর Network option-এ গিয়ে সেখানে দেখানো network গুলোকে Trusted করে নিলেই সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে।

Kaspersky Install করার পর কোন কোন ক্ষেত্রে Browsing problem হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথমেই Browser গুলো update করে নিতে হবে, browser cash clean করে নিতে হবে, এতেও সমস্যার সমাধান না হলো support number-এ ফোন করে সমাধান নিতে পারেন।

সবশেষে যে বিষয়টির জন্য খুবই সমস্যায় পড়তে হয় তা হলো Kaspersky Activation Limit Excited সমস্যা। বাংলাদেশে এই সীমা 1 user 5 times এবং 3 user 15 times. 3 user নিয়ে খুব একটা সমস্যা হয় না। কিন্তু 1user নিয়ে বেশ সমস্যা হয়। এটা যেহেতু Kaspersky-র নিজস্ব Policy-র ব্যাপার সেখানে আমাদের করার তেমন কিছু নেই। তাদের Policy-র মধ্যে থেকেই আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা যা করতে পারি বিক্রির সময় ব্যবহারকারীকে সচেতন করে দিতে পারি যে বছরে ৪/৫ বারের বেশী PC Format বা Windows পরিবর্তন করা যাবে না।